Bengali jokes - HindiJokes.Mobi
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago
এক নব দম্পতির বিয়ের রাতে জামাই বৌকে বলছে, ‘আমি বাসায় আমার যখন ইচ্ছা, যেকোন সময়, যত রাত করেই হোক আসব, আর তুমি এ নিয়ে কোন সমস্যা করতে পারবে না। আর আমি যখনই বাসায় আসি টেবিলে খাবার রেডী দেখতে চাই। আর আমি ছুটির দিনে, মাছ ধরতে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে, তাস খেলতে গিয়ে যতক্ষন ইচ্ছা থাকব, রাতে নাইট ক্লাবে যাব…তুমি কিছুই বলতে পারবে না। এগুলো আমার রুলস। কোন কমেন্ট?’
‘আমার এতে কোন আপত্তি নেই, কিন্তু মনে রাখবে, তুমি বাসায় থাক বা না থাক বাসায় প্রতি সন্ধ্যা সাতটায় আমার সেক্স চলবে…এটা আমার রুলস।’ বউয়ের জবাব।
Abhishek Singh Soni: 2 years ago
পুরুষের স্ত্রী একটি কুমারী ছিল .
স্ত্রী ( ফোনে স্বামী ): যখন আমি তোমাকে মিস করি , যাতে আমি তোমার ছবি দেখতে পারে .
স্বামী: আচ্ছা , আপনি কি আমার কথা শুনবে না ?
স্ত্রীঃ কিছুই , আমি শুধু কুকুর লাথি করব .
Abhishek Singh Soni: 2 years ago
আজকের জ্ঞান :
নারী - পরিষ্কার জল , পরিষ্কার , একই ধরনের এবং সংবেদনশীল শীতল জলের মত .
পুরুষ - মাটির মত কঠিন এবং পরিস্থিতি মাপসই যাচ্ছে . সময় নষ্ঠ কাদার মত পায় .
আর যদি বিয়ে সব কাদা হয়
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago

আদালতে বিচার চলছিলো…
আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি মেয়েকে অশ্লীল প্রস্তাব জানিয়েছে। মেয়েটিকে যখন বলা হলো আসামী তাকে কি প্রস্তাব দিয়েছিলো, সবার সামনে সে কথা বলতে মেয়েটি ভীষণ লজ্জা পেলো। আসামীর প্রস্তাবটা সে এক টুকরো কাগজে লিখে দিলো।
জজ সাহেব কাগজটা পড়ে তা জুরীদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। জুরীর প্রত্যেকে একে একে কাগজটা পড়ে সেটা পাশের জনকে বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন। জুরীদের মধ্যে একজন সুন্দরী মহিলাও ছিলেন। কাগজটা পড়ে পাশের জনকে দিতে গিয়ে তিনি দেখলেন, পাশের ভদ্রলোক ঝিমোচ্ছেন। তাঁকে মৃদু খোঁচা দিয়ে জাগিয়ে কাগজটা তাঁর হাতে গুঁজে দিলেন।
ভদ্রলোক কাগজটা পড়ার পর মহিলা সদস্যার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন, ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালেন। তারপর কাগজটা পকেটে রেখে হাসি মুখে বসে রইলেন।
কারণ কাগজে লেখা ছিলো
আমার সাথে বিছানায় যাবেন ?
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago

কোর্ট এ একটা কেস চলতেছে। সাক্ষী এর কাঠগড়ায় দাড়িয়ে আছেন এক দাদীমা। তার বয়স অনেক, সাদা চুল, মুখে ফলসে দাঁত, হাই পাওয়ার চশমা। যাই হোক, বাদী পক্ষের উকিল এগিয়ে এলেন দাদিমার দিকে।
উকিলঃ আচ্ছা দাদীমা, আপনি আমারে চেনেন?
দাদীমাঃ চিনি না মানে? বিলক্ষণ চিনি। তোমারে তো আমি লেংটা হইয়া ঘুরে বেরাইতে দেখছি। কিন্তু মোতালেব, তুমি তো জীবনে কিছু করবার পারলা না। তুমি মিছা কথা কও। তোমার সুন্দরী বউ থাকতে অন্য মাইয়ার পিছনে ঘুর ঘুর কর। লোকেরে উল্টা বুঝাও, সবাইরে ঠকাও, আর পিছনে লোকের বদনাম কর । তুমি মনে কর তুমি নিজেরে মনে কর রাঘব বোয়াল ! আসলে তুমি একটা পুঁটি মাছও না ! আমি তোমারে অবশ্যই চিনি
উকিল এই শুইন্যা পুরা ঘাবড়ায় গেলেন। গোটা কোর্টের লোকজনও একদম হা হইয়া গেছে। কী করবে বুঝতে না পাইরা এইবার উকিল আসামি পক্ষের উকিলরে দেখায় বললেন,
উকিলঃ দাদীমা, আপনি কী ওরে চেনেন?
দাদীমাঃ আরে, আসলাম না? ওরে কেন চিনুম না। আমার যখন বিয়া হয় তখন ওই বেটা দুধের শিশু। ছোটবেলায় তো বেশ ভালই আছিল। বড় হইয়া হইল একটা অলস, অকর্মার ধারী। আবার শুনি রোজ রোজ মদ খাওয়া শুরু করছে। কারও সাথে ঠিকঠাক কথা কইবার পারে না। এই জেলার সবথিকা বাজে উকিল হইল ওই আসলাম।
ওঃ বলতে ভুইলা গেছিলাম, এ আবার তিনটা পরকীয়া প্রেম করছে। তার একটা তোমার বউ এর লগে।
এই কথা শুইন্যা আসলাম উকিল কোর্টের মধ্যে অজ্ঞান হয়া গেলেন। এইবার বিচারক বললেন,
বিচারকঃ “মোতালেব মিয়াঁ, আপনি সীট এ যায়া বসেন। আর যদি মুর্খের মত প্রশ্ন করছেন যে উনি আমারে চেনে কিনা, আপনারে আমি ফাঁসিতে ঝোলামু।
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago

এক সুন্দরী আপু রিকশায় করে যাচ্ছে এমন সময় আপে রিকশাওয়ালার ছেড়া লুঙ্গী দেখে বললো, মামা আপনার তো জয় বাংলা দেখা যাচ্ছে লুঙ্গীটা ঘুরাইয়া পরেন’
রিকশাওয়ালা :এহন তো জয় বাংলা দেহা যাইতাছে ঘুরাইয়া পরলে সোনার বাংলাও দেহা যাইবো ‘
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago

লিটল জন পাহাড়ের সর্বোচ্চ চুড়ায় উঠে ইশ্বরকে ডাকাডাকি শুরু করলো…
জনঃ ইশ্বর ও ইশ্বর!!! শুনছো!
ঈশ্বরঃ কি হয়েছে আমার প্রিয় জন?
জনঃ তোমার কাছে ১ কোটি বছর মানে কতক্ষন?
ঈশ্বরঃ আমার কাছে ১ কোটি বছর হলো ১ মিনিট।
জনঃ ও, আচ্ছা তোমার কাছে ১০০০ কোটি টাকা মানে কত পয়সা?
ঈশ্বরঃ ১০০০ কোটি টাকা আমার কাছে তো ১ পয়সারও কম।
জনঃ তাইলে তুমি আমাকে ১টা পয়সা দাওনা। প্লিইইজ।
ঈশ্বরঃ মাত্র ১ পয়সা!! ঠিক আছে বাছা। জাস্ট ১ মিনিট ওয়েট করো।
-এই বলে ইশ্বর অদৃশ্য হলেন।
Jyotirmoy Biswas: 2 years ago

ছয় বছরের এক বাচ্চা তার বাবার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে–
“বাবা, Sex মানে কি??
“বাবা বেশ চিন্তায় পড়ে গেলেন। ভাবলেন, এসব বিষয়ে কৌতুহলই ছেলেমেয়েদের বিপথে টেনে নেয়। তাই কৌতুহল জেগে উঠার আগেই তার সব বিষয়ে জানা উচিৎ। তাই এই বিষয়ে তিনি একে একে সব বুঝিয়ে বলা শুরু করলেন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাচ্চাকে বোঝালেন, Sex কি, বিয়ে কি, জন্মদানের প্রক্রিয়া, Sex করার প্রয়োজনীয়তা, বিয়ের আগে Sex করার নিষেধাজ্ঞা… ইত্যাদি ইত্যাদি… সব কথা শেষে ছেলে বললো, “সবই বুঝলাম বাবা। কিন্তু যেটা বুঝতে চেয়েছিলাম সেটাই তো বুঝলাম না।” এই বলে সে দৌড়ে গিয়ে স্কুলের এডমিশন ফর্ম এনে দেখালো। যেখানে লেখা–
Sex: Male/Female